কীভাবে সিভি তৈরি করবো?

সিভিতে যা থাকবে- তথ্য ও যোগাযোগের ঠিকানা

সিভির প্রথম অংশে পুরো নাম লিখতে হবে। কোনোভাবেই ডাকনাম বা ছদ্মনাম লেখা যাবে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদপত্রে যে নাম লেখা আছে তা-ই লিখতে হবে। নামের আগে মিস্টার বা মিসেস ব্যবহার করা যাবে না।

ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে চিঠিতে যোগাযোগ করা যায়, এমন ঠিকানা স্পষ্ট কিন্তু সংক্ষিপ্ত আকারে লিখতে হবে। যোগাযোগের জন্য দিতে হবে মুঠোফোন নম্বর। অপ্রয়োজনে ২-৩টি ফোন নম্বর লেখা যাবে না। আর বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে ই-মেইল ঠিকানার ক্ষেত্রে। iamgreat@gmail. com বা sweetdreams@ymail. com—এ ধরনের হাস্যকর ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা যাবে না। নিজের নামের সঙ্গে মেলে এমন সংক্ষিপ্ত ই-মেইল ঠিকানা তৈরি করে সিভিতে ব্যবহার করতে হবে।

লিংকড–ইন প্রোফাইলের আইডি ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজন না হলে ফেসবুক আইডি যুক্ত না করাই শ্রেয়। তবে ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট কিংবা নিজ কাজের পোর্টফোলিও প্রকাশিত হয়েছে এমন ওয়েবসাইটের নাম লেখা যেতে পারে।

Continue reading

Advertisements

পড়ালেখা→ঘুম→সমাধান

পড়তে বসলেই ১০ মিনিটের মধ্যে ঘুম আসে ? কেন?
সমাধান:
.
❐উজ্জ্বল আলোয় পড়তে বসুন । দিনের বেলা যথেষ্ট প্রাকৃতিক আলোর জন্য জানালা এবং দরজা খোলা রাখুন। রাতের বেলা টেবিল ল্যাম্প ইউজ করতে পারেন। কম আলোয় কখনো পড়বেন না।

Continue reading

যা জীবনবৃত্তান্তে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নয়

একজন নিয়োগকারি কর্মকর্তা গড়ে ৭৫টি জীবনবৃত্তান্ত পান তাদের প্রকাশিত প্রতিটি পদের জন্য, ক্যারিয়ার বিল্ডার ডট কম এর তথ্য মতে। তাই তাদের পর্যাপ্ত সময় এবং সম্পদ কোনোটিই নেই প্রতিটি জীবনবৃত্তান্ত ভালভাবে যাচাইয়ের, এবং তারা মাত্র ছয় সেকেন্ড ব্যয় করেন “উপযুক্ত/উপযুক্ত নয়”, এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি নিতে।

Continue reading

চাকুরী আর আমাদের দুশ্চিন্তা


🎓

চাকরি পাচ্ছেন না এই দুশ্চিন্তায় আপনার পড়ালেখাও হচ্ছেনা। হয়তো অনেকগুলো এক্সাম দিয়েছেন কিন্তু কোনটাতেই চূড়ান্ত তালিকায় নেই। কোনটায় প্রিলি ফেল নয়তো লিখিত ফেল নয়তো ভাইভায়। এভাবে কেটেছে অনেক মাস বা কয়েক বছর। এভাবে বারবার এক্সাম দিয়েও জব না পেয়ে আপনি হতাশ, এই জন্য জবের জন্য প্রয়োজনীয় পড়াটাও হচ্ছেনা, তাইনা???

ওকে, বুঝলাম। আপনি অনেক ভাল পরীক্ষা দিয়েও জব পাচ্ছেন না। তাহলে চুপচাপ ভাবুনতো কেন জব পাচ্ছেন না। কেউনা কেউ ঠিকই চাকরি পাচ্ছেন।আপনার কোথাও না কোথাও লেকিংস আছে। সেটা খুঁজে বের করুন। এরপর সেইটার উপর জোর দিন। পরীক্ষার হলে আপনার ম্যাচুরিটি শো করুন। টু দা পয়েন্টে উত্তর লিখুন।উত্তর গুছিয়ে লিখুন। সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন। সঠিক ভাবে উত্তর লিখুন। নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাস রাখুন। মনে করুন আপনার লিখাটাই বেষ্ট।

আচ্ছা, আপনি কি সারাজীবন বেকার থাকবেন? জ্বি না। আপনার কোথাও না কোথাও জব হবে। জব হবেই তবে হয়তো মনের মত হবেনা কিন্তু জব যে একটা হবে এটা নিশ্চিত। তাই চিন্তা বাদ দিন। মনে মনে ভাবুন একদিন ঠিক ই জব হবে। তাই টেনশন নিয়েন না। বর্তমান সময়টাকে কাজে লাগান। নিখুঁত ভাবে পড়ুন। চাকরি হচ্ছেনা এই চিন্তা করে পড়ার সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না। এগিয়ে যান। উপরওয়ালা আপনার জন্য কিছু না কিছু অবশ্যই রেখেছেন। হয়তো একটু সময় লাগবে এই আর কি। তাই বর্তমান সময়টাকে কাজে লাগান। ভাল প্রস্তুতি নিন।

তাই আপনারও একদিন জব হবে তবে সেটা নির্ভর করছে আপনি বর্তমান সময়টা কিভাবে ব্যয় করছেন তার উপর। আপনি চিরকাল বেকার থাকবেন না। একটা না একটা জব হবেই। তাই হতাশ না হয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যান। তবে অবশ্যই সঠিক পথেই প্রস্তুতি নিবেন।

আর একটা কথা- জবের প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে কিছু করার চেষ্টা করুন। বিধাতা কোন দিক দিয়ে আপনাকে সফলতা দিবে সেটা আপনিও জানেননা। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অপশন বাড়ান। নিজেকে নিয়ে ভাবুন। কোন কোন পথে আগাবেন সেটা চিন্তা করুন। এখন থেকে আবার নব উদ্যমে শুরু করুন। ইনশাআল্লাহ একদিন সফলতা আসবেই। শুভ কামনা আপনার জন্য।