"Education Cares Organization"(এডুকেশন কেয়ার'স অর্গানাইজেশন )

"We Creat INSPIRATION,By Giving Update Info and Instructions"

বৈশিষ্ট্য 

সামন্তরিকের বৈশিষ্ট্য :

​(১)সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।

(২) সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান।

(৩)সামান্তরিকের কর্ণ দুইটি তাদের ছেদবিন্দুতে  সমদ্বিখণ্ডিত করে।

(৪)সামান্তরিকের কর্ণগুলো সমান নয়।

বর্গের বৈশিষ্ট্য :

(১) বর্গের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান।

(২) বর্গের কোনগুলো সমকোন।

(৩) বর্গের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান।

(৪) বর্গের সবগুলো কোন সমান।

(৫) বর্গের সব বাহুগুলো সমান।

রম্বসের বৈশিষ্ট্য :

(১) রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোনে সমদ্বিখণ্ডিত করে।

(২) রম্বসের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান।

(৩) রম্বসের কর্ণগুলো সমান নয়।

আয়তের বৈশিষ্ট্য :

(১) আয়তের  কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান।

(২) আয়তের একটি কোণ সমকোণ

(৩) আয়তের সবগুলো কোণ সমান।

ফ্যারাডের ইলেকট্রোলাইসিস সূত্র 

ফ্যারাডের ইলেকট্রোলাইসিস সূত্র (Farads Law of Electrolysis)

বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে ইলেকট্রোলাইসিসের দুটি সূত্র উদ্ভাবন করেন।

প্রথম সূত্র:

ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রোডের উপর জমা হওয়া পদার্থের পরিমাণ, দ্রবণ বা ইলেকট্রোলাইটের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণের সমানুপাতিক।

দ্বিতীয় সূত্র:

ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রোডের উপর জমা হওয়া পদার্থের পরিমাণ এদের তড়িৎ রাসায়নিক সমতুলের সমানুপাতিক।

চার্জের পরিমাণ q
প্রবাহিত কারেন্ট i
কারেন্ট প্রবাহের সময় t এবং
পদর্থের তড়িৎ রাসায়নিক সমতুল Z হলে,

প্রথম সূত্র অনুযায়ী m α q
দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী m α Z

লেন্‌জের সূত্র(Lenz’s law)

লেন্‌জের সূত্র(Lenz’s law)

লেনজ এর সুত্র একটি সহজ উপায় যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি কিভাবে তড়িৎ চুম্বকীয় বর্তনী নিউটনের ৩য় সুত্র এবং শক্তির সংরক্ষণ সুত্র মেনে চলে । লেনজ এর সুত্র হেনরিক লেনজ এর নামানুসারে করা হয়েছে।এতে বলা হয়

একটি প্রবর্তিত তড়িচ্চালক বল সব সময় তড়িৎকে বৃদ্ধি করে যার চুম্বকীয় ক্ষেত্র প্রকৃত চুম্বক প্রবাহের বিরোধিতা করে ।

লেনজ এর সুত্র ফারাডের সুত্রের আবেশ ঋণাত্মক চিহ্ন দেয়

এর থেকে বুঝা যায় যে আবেশিত তড়িচ্চালক বল (ℰ) এবং চুম্বকীয় প্রবাহ (∂ΦB) এর মধ্যে বিপরীত চিহ্ন আছে ।

থেভেনিন থিউরম (Thevenin Theorem)

থেভেনিন থিউরম (Thevenin Theorem)

ই.এম.এফ. এর একাধিক উৎস এবং রেজিস্ট্যান্স সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল নেটওয়ার্কের দুটি বিন্দুতে সংযুক্ত একটি লোড রেজিস্ট্যান্সের কারেন্ট একই হবে, যদি লোডটি ই.এম.এফ. এর একটি মাত্র স্থির উৎসের সাথে সংযুক্ত থাকে। 

যার ই.এম.এফ. লোডের প্যারালেলে অপেন সার্কিট ভোল্টেজের সমান এবং যার ইন্টারনাল রেজিস্ট্যান্স দুটি প্রান্ত হতে বিপরীত দিকের নেটওয়ার্কের রেজিস্ট্যান্টের সমান। 

ই.এম.এফ. এর উৎসগুলো এদের সমতুল্য ইন্টারনাল রেজিস্ট্যান্সে স্থলাভিষিক্ত হবে।

সুপার পজিশন থিউরম 

সুপার পজিশন থিউরম (Superposition Theorem)

কোন লিনিয়ার বাইলেটারাল নেটওয়ার্কে একটি বিন্দুতে প্রবাহিত কারেন্ট বা দুটি বিন্দুতে ই.এম.এফ. এর একাধিক উৎসের কারণে ঐ বিন্দু বা বিন্দুগুলোতে প্রবাহিত আলাদা আলাদা কারেন্ট সমুহের বা ই.এম.এফ. পার্থক্য সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল সমান হবে যদি প্রতিটি উৎসকে আলাদা আলাদা ভাবে বিবেচনা করা হয় এবং অন্য উৎস গুলোর প্রতিটি সমমানের ইন্টারনাল রেজিস্ট্যান্সে রূপান্তর করা হয়।

কার্শফের সূত্র 

কারশফের সূত্র (Kirchhoff’s Law)

কারশফের সূত্র (Kirchhoff’s Law)

কারশফের কারেন্ট সূত্র (Kirchhoff’s Current Law):

একটি সার্কিটের কোন বিন্দুতে মিলিত কারেন্ট সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল সমান।

অথবা

একটি সার্কিটের কোন বিন্দুতে আগত কারেন্ট ও নির্গত কারেন্ট সমান।

কারশফের ভোল্টেজ সূত্র (Kirchhoff’s Voltage Law):

কোন বদ্ধ বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের সকল ই.এম.এফ এবং সকল ভোল্টেজ ড্রপের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য।

কুলম্বের সূত্র

কুলম্বের সূত্র

কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law)

প্রথম সূত্র:
একই ধরণের চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীত ধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে।

দ্বিতীয় সূত্র:
দুইটি বিন্দু চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল চার্জ দুইটির পরিমাণের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যে দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

দুটি বিন্দু চার্জের পরিমাণ যথাক্রমে Q1 ও Q2, এদের মধ্যকার দূরত্ব d হলে,

বল F α Q1Q2/d2

বা, F = k F α Q1Q2/d2                         

এখানে, K = 9X109 [ধ্রুবক]

%d bloggers like this: