Electrical Engineering Q: & A:

1. AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?

Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ

AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।

AC= Alternating Current

DC= Direct Current

AC হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।

DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।

AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।

2.ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?

আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর।

ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।

3.ট্রাঞ্জডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি?

Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।

গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।

চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।

আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।

আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।
_________________||

১। প্রঃ একটি চোক কয়েলের সহিত সিরিজে বাতি লাগানো হয়েছে, বাতি উজ্জ্বল ভাবে জলে, বাতি ডিম জ্বলে, বাতি জ্বলে না – কি হতে পারে ?

উঃ চোক কয়েল শর্ট, চোক কয়েল কাটা।

২। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?

উ : ৪’ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২’ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।

৩। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?

উঃ হাঁ যায়,পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।

৪। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয় ?

উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।

৫। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?

উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছে না, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়ে পরেছে।

৬। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।

উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।

৭। দুই পিস সকেটের উভয় পিনে টেষ্টার জ্বলে কিন্তু বাতি জ্বলে না।

উ: নিউট্রাল পাচ্ছে না।

৮। বাসার সকল লোড অফে থাকা সত্বেও মিটার ঘুরে।

উ : ওয়্যারিং কোথাও আর্থ পেয়ে গিয়েছে।

৯। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?

উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।

১০। বাতির কাঁচ ভেঙ্গে গেলে ফিলামেন্ট হতে আর আলো বের হয় না কেন ?

উ: ফিলামেন্ট অক্্িরজেন পায় বিধায় ইহা জ্বলে যায়।

১১। সান্ট ফিল্ডের কয়েল চিকন তারের অধিক প্যাঁচের এবং সিরিজ ফিল্ডের কয়েল মোটা তারের কম প্যাঁচের থাকে কেন ?

উ: কারন সান্ট ফিল্ড পূর্ণ ভোল্টেজ পায় এবং সিরিজ ফিল্ড পূর্ণ লোড কারেন্ট পায়।

১২। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?

উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই

(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে

(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন

(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন

(৫) কার্বন ব্্রাস কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

১৩। একটি ডিসি মোটর উল্টা ঘুরতেছে কি ভাবে ঠিক করেবে?

উ: হয় ইহার ফিল্ডের কানেকশন না হয় আর্মেচারের কানেকশন উল্টাইায়া দিতে হবে।

১৪। স্টার্টার মোটর র্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?

উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।

১৫। স্টার্টারের হাতল শেষ প্রান্তে থাকে না।

উ: হোলডিং কোয়েল কাজ করে না, খারাপ।

১৬। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?

উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।

১৭। ডায়নামো কি ?

উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।

১৮। আর্মেচার লোহার তৈরি কিন্তু কম্যুটেটর তামার তৈরির কারন কি ?

উ: কারন আর্মেচার ম্যাগনেটিক ফিল্ডে থাকে আর কম্যুটেটর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বাইরে থাকে।

১৯। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?

উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।

২০। এক ফেজ মোটরের দোষ কি ?

উ: ইহা নিজে নিজে র্স্টাট নিতে পারে না।

২১। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?

উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।

২২। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?

উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।

২৩। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?

উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।

২৪। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?

উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।

২৫। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?

উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।

২৬। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?

উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।

২৭। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?

উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।

২৮। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?

উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।

২৯। তিন ফেজ ১০ ঘোড়া ইন্ডাকশন মোটর ফুল লোডে কত কারেন্ট নিবে ?

উ: ১৫ এম্পিয়ার (প্রতি ঘোড়া ১.৫ এম্পিয়ার হিসাবে)।

৩০। তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে।

উ: (১) তিন ফেজের – কোন এক ফেজে সাপ্লাই নেই

(২) মেইন সুইচে কোন ফেজের ফিউজ নেই

(৩) মোটরের তিন ফেজ ওয়াইন্ডিং এর কোন ফেজ কাটা, সাপ্লাই পাচ্ছে না

(৪) বল বিয়ারিং খুব জ্যাম

(৫) মোটরের স্যাপ্ট বাঁকা হয়ে গিয়েছে।

৩১। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরের এক ফেজ চলে গেলে কি হবে ?

উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়ে যাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটর জ্বলে যাবে।

৩২। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?

উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।

৩৩। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?

উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্ট সাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)

৩৪। একটি তিন ফেজ মোটরের বডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সংযোগ করে অন্য মাথা সাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বুঝা যায় ?

উ : মোটরের বডি ভাল ভাবে আর্থ করা হয়েছে।

৩৫। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?

উ : মেগার দ্বারা।

৩৬। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?

উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।

৩৭। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?

উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।

৩৮। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?

উ : অটো ট্রান্সফরমার।

৩৯। এক ফেজ ট্রান্সফরমার দ্বারা তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি ?

উ : হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।

৪০। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?

উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করা থাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকার আওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।

৪১। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?

উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে

(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে

(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে

(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।

৪২। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?

উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।

৪৩। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?

উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।

৪৪। ব্রিদার কি ?

উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমে বাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতে বাহির হয়ে যায়।

৪৫। বুকল্স রিলে কি ?

উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরে ত্রুটি দেখা দিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।

৪৬। গার্ড ওয়্যার কি ?

উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।

৪৭। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?

উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।

৪৮। জাম্পার কি ?

উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।

৪৯। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?

উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটা তারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।

৫০। সি.বি কি ?

উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণ লাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।

৫১। এ.সি কে ডি.সি এবং ডি.সি কে এ.সি কি ভাবে করা হয় ?

উ : এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

Advertisements

Leave a Reply/আপনার মতামত জানান

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.