SCHOLARSHIP’S PANEL

____________-স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ১______________

Collected from {বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ওয়েবসাইট) Varsityad wordpress.com

যারা বিভিন্ন দেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশুনা করতে চাও তাদের আগে যেটা সব থেকে প্রয়োজন সেটা হলো নিজের পাসপোর্ট থাকা ।কারন পাসপোর্ট না থাকলে তুমি কোন কাজ ই শুরু করতে পারবা নাহ।তাই আগে নিজের পাসপোর্ট বানিয়ে নাও যদি বাইরে পড়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে….

পাসপোর্ট কার, কখন, কোথায় প্রয়োজন হয় সেটা বলা যায় না , তাই নিজের পাসপোর্ট থাকা ব্যাপারটা মন্দ না। পাসপোর্ট করা নিয়ে অনেকেরই বিরূপ অভিজ্ঞতা আছে , সেটা নিয়ে নতুন অনেকেরই ভয় কাজ করে। আসলে এইরকম অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে।
আমিও তেমনটাই করেছিলাম, এবং বিশ্বাস কর – কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই এবং একমাসের মধ্যেই পেয়ে গেছিলাম।
ফর্ম জমা আর ভেরিফিকেশান লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় নি :3 ।
পরে একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে এসেছি ! তাও আবার নিজের পছন্দসই ডেটে।
দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই !
একদমই ঝামেলা ছিল না এবং যাতায়াত মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৩৮০০/- টাকার মত !
তো এখন যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছ, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্যই আমি। আশা করি উপকৃত হবে।
তুমিও খুব সহজেই পারবে।কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে তোমাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই।আর তার জন্য তোহ আমি আছি ই।
আস, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।
প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া
সোনালী ব্যাংকের শাখায় পাসপোর্ট আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩৪৫০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে হলে)।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বার উল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।
আমার টিপস –
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নাও।রিসিট পেলে ইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ কর।
সাথে অবশ্যই কলম রাখ।
দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ
অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যাও পাসপোর্ট অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখ , সতর্কতার সাথে একাউন্ট কর ।তোমার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখ ।
মেইল এড্রেস আর মোবাইল নাম্বার দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই রেগুলারটা দেবে।
টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ কর।
সবশেষে তুমি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চাও, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিট কর। অর্থ্যাৎ তুমি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছো ! ব্যাপারটা দারূণ না?
এবার , রিচেক কর। দেখ সব তথ্য ঠিক আছে কিনা।
সবশেষে সাবমিট কর ।সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি তোমার মেইলে চলে আসবে ।এইধাপ এইখানেই শেষ।

__________স্কলারশীপ সংক্রান্ত্র পোস্ট পর্ব-০২_______________________
✌✌✌✌✌✌

.
পাসপোর্ট নিয়ে ৩ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে ২য় পর্ব দিলাম ।
.
.
তৃতীয় ধাপ – জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন ।
.
তোমার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছো, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্ট করে ফেলো।যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো হাতে পুরন করে ফেল। তোমার সাইন দাও।
.
.
এবার নিজের চারকপি ছবি,জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নাও। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়ন করানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয় ।
.
সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করো

.
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের প্রথম পৃষ্ঠার ওপরে যুক্ত কর। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নাও।
.
তোমার ফর্ম জমা দেয়ার জন্য এখন প্রস্তুত।
.
আমার টিপস – ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করো ।ব্যাকআপ থাকা ভালো।আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপ কপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি ।
.
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো,পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে।একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যাপারেও ।
.
.
চতুর্থ ধাপ – ছবি তোলা এবং অন্যান্য
.
তোমার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যাও । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবে না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা কর ।
.
সকাল ১০ টার দিকে গেলেই হবে।কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না তোমাকে।সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যাও । সেখানে দায়িত্বরত আনসার এর সেনা সদস্যকে জিজ্ঞেস করো কোন রুমে যাবে ।
.
.
তারপর তোমাকে প্রথমে ফর্মটি দেখিয়ে আনতে হবে।খুবই অল্প সময়ের কাজ । সিরিয়াল নেবে।তারপর তোমার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে ।
.
সাইন শেষে তোমাকে জানিয়ে দেওয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে।ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই।সিরিয়াল আসলে ছবি তুলো, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও।ব্যস,কাজ শেষ !
.
.
এবার তোমাকে পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেবে।সেটা যত্ন করে রাখো।পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫ দিনের মধ্যেই তুমি পাসপোর্ট পাবে

.
আমার টিপস – আবারো বলছি,সাদা পোষাক পরবে না,ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করবে।
.
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যাও ।সেখানে গিয়ে সেখানকার আনসার এর সেনাসদস্যের কাছ থেকে সব কিছু দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে যাও,সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা ।
.
.
সাথে অবশ্যই কলম রাখো।আর আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখো ।

__________স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৩_______________________
✌✌✌✌✌✌✌

.
পাসপোর্ট নিয়ে ৩ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে শেষ পর্ব দিলাম ।
.
.
পঞ্চম ধাপ – পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট রিসিভ ডেট ( টিপস সহ) ।
.
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে।যদি তোমার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয়,তবে দুই জায়গাতেই তোমার ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে ।
.
.
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার >.< ।সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
.
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব
।তুমি কীভাবে তাদের ফেইস করছো সেটার উপর নির্ভর করে।সরাসরি বলে দিতে পারো যে, এইটা আপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন ।কিংবা বলতে পারো যে,তুমি ছাত্র,টাকা দেয়া সম্ভব না।ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
.
.
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে তোমার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই তুমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবে ।
.
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।
.
ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ
.
এইখানে কাজ সহজ।পাসপোর্ট অফিসে চলে যাও।লাইনে দাঁড়াও।
.
.
সাথে রিসিট আর কলম রাখ।১০ টার দিকে গেইট খুলবে।লাইন ধরে প্রবেশ করো।
.
রিসিট জমা দাও।অপেক্ষা কর ।
.
এবার তোমার নাম ডাকবে।
.
সাইন করো আর বুঝে নাও তোমার পাসপোর্ট।
.
টিপস – হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করো তোমার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা।নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নাও ।
.
.
সব ঠিক থাকলে,বলো ইয়াহুউউউ !
.
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের আত্মকাহিনী আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে ।সবার জন্য শুভকামনা।হ্যাপি পাসপোর্টিং !

________________স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৪______________
✌✌✌✌✌✌

.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে বিস্তারিত বলব আশা করি কাজে লাগবে।
.
.
IELTS নিয়ে বিস্তারিত ৪ পর্বের পোস্ট দিব ইনসাআল্লাহ।আজকে থাকছে প্রথম পর্ব—-
.
আইইএলটিএস’ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। IELTS (The International English Language Testing System)। যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদের অনেক দেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা কিংবা ভিসার আবেদন করতে ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হয়।
.
.
আইইএলটিএস পরীক্ষাপদ্ধতি দুই ধরনের, ‘একাডেমিক’ ও ‘জেনারেল’।স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যেতে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের ‘একাডেমিক আইইএলটিএস’ টেস্টে অংশ নিতে হয়। যে কেউ এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।এ জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই ।
.
তোমরা জানো কিনা জানি নাহ বিশ্বজুড়ে
১৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী উচ্চশিক্ষা ও চাকরির লক্ষ্যে প্রতিবছর আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেন ।
.
.
স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশে ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে টোফেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে আইইএলটিএস ।
.
☞ পরীক্ষা পরিচালনা
.
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করে আইইএলটিএস পরীক্ষা।এ পরীক্ষায় নীতি নির্ধারক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিশ্বব্যাপরী পরীক্ষা পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার মূল ভূমিকা পালন করছে বিট্রিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া। সারা বিশ্বে একই প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন নিয়মে পরিচালিত হয় ।
.
☞ কিছু ভুল ধারণা
.
অনেকেই মনে করেন আইইএলটিএস অনেক কঠিন একটি পরীক্ষা। আসলে এটি ভুল ধারণা। ব্রিটিশ কাউন্সিল সূত্র মতে, ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষ হয়েও এ পরীক্ষায় ভালো স্কোর সম্ভব। যদিও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে আইইএলটিএস পরীক্ষা পরিচালিত হয় বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয় ।

_____________________স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৫____________
✌✌✌✌✌✌

.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে ৪ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে ২য় পর্বো বিস্তারিত আলোচনা করব আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে।
.
.
IELTS এর পরীক্ষা পদ্ধতি—–
.
দুটি মডিউলে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়।একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং।স্নাতক,স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়।কোনো কারিগরি বিষয় বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হলে সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়।
.
.
এ ছাড়া সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি এবং ইমিগ্রেশনের জন্য জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হবে।
.
আইইএলটিএস পরীক্ষায় বসার আগে জেনে নাও কোন মডিউলে তোমাকে পরীক্ষা দিতে হবে।দুটো পদ্ধতিতে পার্থক্য খুব সামান্য।আইইএলটিএস পরীক্ষায় দুই ধরনের মডিউলেই চারটি অংশ থাকে।
.
Listening
Reading
Writing
Speaking
.
☞ লিসেনিং (Listening)
.
কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয় এ অংশে। চারটি বিভাগে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।তোমাকে একটা প্যাসেজ ইংরেজিতে বাজিয়ে শোনানো হবে, আর সামনে থাকবে প্রশ্নপত্র, ঐ শোনার ভিত্তিতে তোমাকে উত্তর করতে হবে, কী বোঝানো হয়েছে ঐ অডিও টেপে।
.
.
মোটামুটি ৩০ মিনিটের পরীক্ষা হয়।শেষ ১০ মিনিটে উত্তরপত্রে উত্তর লিখতে হয়। একটি বিষয় কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয়। কোনো অংশ শুনে না বুঝতে পারলে সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ, এতে পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বাক্য পূরণ ইত্যাদি নানা ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে।
.
☞ রিডিং (Reading)
.
অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে এটি কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে বোঝার ক্ষমতা।তোমাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে তোমাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে।কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো তুমি সহজে পারবেন না,যদি না তুমি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পার।
.
.
প্যাসেজটা তোমাকে ঠিকমতো বুঝতে হলে তোমাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় তুমি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যাও, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবে না,সে তুমি যতই কনফিডেন্ট হও না কেন? ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। এখানেও বাক্য পূরণ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি প্রশ্ন থাকবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোয় দাগ দিয়ে রাখ। উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হবে ।
.
☞ রাইটিং (Writing)
.
এখানে যাচাই করা হয় তুমি কতটুকু কল্পনাশক্তি খাটাতে পার এবং একটা বিষয়ের উপরে লিখতে পার।এক ঘণ্টায় দুটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে।দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে প্রথম প্রশ্নের চেয়ে দ্বিগুণ নম্বর থাকে।এজন্য শুরুতেই দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর ভালোভাবে লিখতে পার।প্রথম প্রশ্নটিতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় দিতে পার। অন্তত ১৫০ শব্দের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর দিতে ৪০ মিনিট নিতে পার। অন্তত ২৫০ শব্দ লিখতে হবে।
.
.
শব্দসংখ্যা একটু বেশি হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কম হলে নম্বর কমে যাবে। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট, ডায়াগ্রাম থাকে। এ থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে, বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয় ।
.
☞ স্পিকিং (Speaking)
.
এখানে কোনো লেখালেখী নেই।তোমাকে নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাস্থলে (সাধারণত ব্রিটিশ কাউন্সিলে) যেতে হবে। সেখানে দু-তিনজন পরীক্ষকের সামনে তোমাকে বসতে হবে। তাঁরা তোমাকে বিভিন্নভাবে ইংরেজিতে প্রশ্ন করবে,তুমি তাঁর উত্তর দিবে।তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয়, যেমন –
.
.
পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। দ্বিতীয় অংশে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এবং দুই মিনিট কথা বলতে হয়। এর আগে চিন্তা করার জন্য এক মিনিট সময় দেওয়া হয়। তৃতীয় অংশে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন চালাতে হয় ।
উদাহরন: Suppose, you have visited a Pharmaceutical company. Now would you please explain what did you see there?- মার্কা একটা প্রশ্ন করতে পারে ।

Collected BY: ::::::: Ananda Mohan

Facebook: http://www.facebook.com.Ananda.Mohan.shil

#””””””উচ্চশিক্ষা “””””
,
উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকা বা কানাডায় যেতে হলে GRE পরীক্ষা দিতে হয়। IELTS পরীক্ষার চেয়ে GRE টেস্ট অনেক বেশি কঠিন হয়ে থাকে। কারণ এর সাথে ম্যাথ যুক্ত থাকে। আপনি যদি বাসাতেই নিজে নিজে এর প্রস্তুতি নিতে চান সেক্ষেত্রে কিছু বই আপনাকে কিনে নিতে হবে। GRE টেস্টের প্রয়োজনীয় বইগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। গুরুত্বানুসারে এগুলো হলো :

১. ইংরেজী শব্দ ভাণ্ডার বা ভোকাবুলারি (vocabulary) সমৃদ্ধ করার বই
২. জি আর ই’র verbal অংশের জন্য বই
৩. জি আর ই’র Quantitative বা math অংশের জন্য বই
৪. জি আর ই’র Analytical writing অংশের জন্য বই

Vocabulary সমৃদ্ধ করার বই :

বাজারে অসংখ্য বই পাওয়া যায় ওয়ার্ডলিস্ট বা ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ করার জন্য। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত ভোকাবুলারি’র বইয়ের দুটি হলো সাইফুর’স ভোকাবুলারি বই এবং প্রিন্সটন রিভিউ থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ডমাস্টার বই। সাইফুরস এর বইটা একদম নবীনদের জন্য ভালো, যাদের হয়ত ইংরেজী শব্দ বানান করে করে পড়তে হয়। কিন্তু যারা GRE বা SAT’র মতো পরীক্ষায় বসতে চান, তাদের একটু সমৃদ্ধতর বইয়ের দিকে যাওয়াই উচিত।

১. শব্দগুলোকে গ্রুপ করে পড়ার জন্য সংগ্রহ করতে পারেন জি আর ই সেন্টার থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ড পোস্টার (1B), এবং ফরহাদ হোসেন মাসুম রচিত Vocabuilder বই (1A)। শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক উপায় হলো শব্দের গঠন ভেঙ্গে ভেঙ্গে তার মূল বা রুট দিয়ে মনে রাখা এবং সমজাতীয় শব্দগুলো এক সাথে পড়া। এই বই দুইটিতে শব্দের মূল (root) নিয়ে আলোচনা না করলেও সমজাতীয় ও পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত শব্দগুলোকে এক সাথে আলোচনা করা হয়েছে বলে অল্প সময়ে অনেকগুলো শব্দ মনে রাখা যায়।

২. শব্দের উৎস ও suffix (শব্দের শেষে বসা অংশ), prefix (শব্দের শুরুতে বসা অংশ) ইত্যাদি দিয়ে বোঝা যায় একটি শব্দ কীভাবে গড়ে ওঠে এবং পরিবর্তিত হয়। এসব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে Word power made easy (by Norman Lewis) বইটিতে (1C), যা ভোকাবুলারির দখল বাড়ানোর জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় বইগুলোর একটি। বইটির শেষে কিন্তু বিশেষ একটা শব্দ তালিকা দেওয়া আছে যা জি আর ই শিক্ষার্থীদের অবশ্যই জানা থাকা উচিৎ।

৩. বাংলাদেশী লেখক এস এম জাকির হোসেন খুব সুন্দর তিনটি বই লিখেছেন যেখানে শব্দগুলোকে তাদের root, suffix, prefix ইত্যাদির সাহায্যে আলোচনা করা হয়েছে। বইয়ের নাম Word Learning Magic, book 1, 2, 3 (1D)।

জি আর ই’র Verbal অংশের জন্য বই :

Verbal অংশে ভালো করার জন্য আমাদের নির্বাচিত বইগুলো নীচে দেওয়া হলো।

১. যারা উচ্চ স্কোর (330+) করতে চান তাদের প্রথম থেকেই Manhattan সিরিজ ভালো করে পড়া উচিত। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Unofficial গাইড। (2A)
২. ETS থেকে প্রকাশিত Official Guide (2B)
৩. Princeton Review Cracking the new GRE (2C)
৪. Barron’s New GRE (2D)

প্র্যাকটিসের জন্য সংগ্রহ করতে হবে:
৫. ETS GRE big book (2E)
৬. Princeton 1014 (2F)

কম গুরুত্বপূর্ণ:
৭. Peterson’s GRE (2G)
৮. Kaplan GRE (2H)
৯. Grubber’s GRE (2I)

জি আর ই’র Quantitative বা Math অংশের জন্য বই :

১. ম্যাথের জন্য সবচেয়ে ভালো বই হবে জি আর ই সেন্টার থেকে প্রকাশিত Math for GRE/GMAT Tests
২. Manhattan GRE
৩. ETS official guide
এ ছাড়া নবম শ্রেণীর বীজগণিত ও জ্যামিতি বইয়ের অংক ও সূত্রগুলো দেখে রাখতে হবে।

প্র্যাকটিসের জন্য:
৪. Leaked out GRE Maths (জি আর ই সেন্টার থেকে প্রকাশিতব্য)
৫. Princeton 1014
৬. Data Interpretation এর জন্য Big Book

জি আর ই’র Analytical Writing অংশের জন্য বই :

১. Official Guide
২. Kaplan GRE (ধন্যবাদ)